• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

জিতলো রাজস্থান, জিতলেন মোস্তাফিজও!


ক্রীড়া ডেস্ক | বাংলাবাজার প্রকাশিত: এপ্রিল ১৬, ২০২১, ০৯:৪৬ এএম জিতলো রাজস্থান, জিতলেন মোস্তাফিজও!
ছবি: সংগৃহীত

আগের ম্যাচে যা পারেননি সাঞ্জু স্যামসন, আজ দিল্লির বিপক্ষে সেটাই করে দেখালেন ক্রিস মরিস। শেষ ওভারে জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১২ রান। দুই ছক্কা আর দুই রান নিয়ে রাজস্থানকে হারের বৃত্ত থেকে বের করে আনলেন মরিস। ৩ উইকেটের যে জয় কেবল রাজস্থানেরই নয়, জয় বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমানেরও! পাঞ্জাবের বিপক্ষে আগের ম্যাচে স্যামসন ১১৯ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস খেলেও দলকে জেতাতে পারেননি। স্যামসনের না পারা, মোস্তাফিজের সুযোগ হাতছাড়া, সবমিলিয়ে ৪ রানের হারে স্যামসন-মোস্তাফিজের সেই ম্যাচে বেদনা বিধুর রাত কেটেছে!

আজ অবশ্য দৃশ্যপট পাল্টে গেছে পুরোপুরি। দীর্ঘদিন পর পুরনো মোস্তাফিজকে দেখা গেলো। দিল্লি ক্যাপিটালসের ব্যাটসম্যানদের একের পর এক কাটার, স্লোয়ারে পরাস্ত করেছেন বাংলাদেশের বাঁহাতি পেসার। কেবল মোস্তাফিজ নন, রাজস্থানের পেসার জয়দেব উনাদকাটের বোলিংয়েও ১৪৭ রানে থেমেছে দিল্লি।

সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে হারের পথে ছিল রাজস্থান! ৮ নম্বরে নামা ক্রিস মরিস ১৮ বলে ৪ ছক্কায় অপরাজিত ৩৬ রানের ওমন ঝড়ো ইনিংস না খেলতে ম্যাচটি দিল্লিরই হতো।

৪২ রানে টপ অর্ডারের ৫ উইকেট হারানো রাজস্থান হারই দেখছিল একটা সময়। ডেভিড মিলার ও রাহুল তেওয়াতিয়া মিলে ৬ষ্ঠ উইকেটে ৪৮ রানের জুটি গড়েন। ওই জুটিতে প্রাথমিক বিপর্যয় সামাল দিলেও ম্যাচ নিজেদের করতে পারেনি রাজস্থান। এক প্রান্ত আগলে রেখে মিলার খেলেছেন ৪৩ বলে ৬২ রানের ইনিংস। ৭ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো ইনিংসটি খেলে মিলার যখন বিদায় নেন, দলের রান তখন ১০৪। তখনো ২৫ বলে ৪৪ রান প্রয়োজন। প্রথম ১৩ বলে ক্রিস মরিস ও জয়দেব উনাদকাটের ভালো কিছু করতে পারেননি। শেষ দুই ওভারেই ঝড় তোলেন তারা। অবশ্য ঝড়টা বেশি তুলেছেন মরিসই। খেলেছেন ১৮ বলে ৩৬ রানের টর্নেডো ইনিংস। রাজস্থান ৭ উইকেট হারিয়ে জয় নিশ্চিত করে ১৯.৪ ওভারে। 

নিজেদের প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে ঋষভ পান্তের দিল্লি।চোটের কারণে রাজস্থানের একাদশে নেই ইংলিশ অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। এই ম্যাচে তার বদলি হিসেবে সুযোগ পেয়েছেন ডেভিড মিলার। দুই দলেই মোট ২টি করে পরিবর্তন এসেছে। জস বাটলার, ক্রিস মরিস ও মোস্তাফিজুর রহমান এই ম্যাচেও রাজস্থানর একদাশে রয়েছেন।

রাজস্থান একাদশ: জস বাটলার, মানন ভোহরা, স্যাঞ্জু স্যামসন (অধিনায়ক), ডেভিড মিলার, শিভম দুবে, রিয়ান পরাগ, ক্রিস মরিস, রাহুল তেভাটিয়া, জয়দেব উনাদকাট, চেতন সাকারিয়া, মোস্তাফিজুর রহমান।

দিল্লি একাদশ: পৃথ্বী শ, শেখর ধাওয়ান, আজিঙ্কা রাহানে, ঋষভ পান্ত (অধিনায়ক), মার্কাস স্টয়নিস, ললিত যাদব, ক্রিস ওকস, রবিচন্দ্রন অশ্বিন, কাগিসো রাবাদা, টম কারান ও আভেশ খান।