• ঢাকা
  • শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১, ৩০ বৈশাখ ১৪২৮
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

হেফাজত ও খেলাফত মজলিসকে নিষিদ্ধের দাবি


নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার প্রকাশিত: এপ্রিল ২৯, ২০২১, ১০:৫৯ পিএম হেফাজত ও খেলাফত মজলিসকে নিষিদ্ধের দাবি

ইসলামের নামে নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে এবং রাজনৈতিক ও ধর্মীয় অস্থিরতা নিরসনে হেফাজতে ইসলাম ও খেলাফত মজলিস নিষিদ্ধের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে এ দাবি জানান সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব স উ ম আবদুস সামাদ।

অনুষ্ঠানে লিখিত বক্তব্যে সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব স উ ম আবদুস সামাদ বলেন, বর্তমান পরিস্থিতির জন্য হেফাজত যতটুকু দায়ী, তেমনি সরকারও দায় এড়াতে পারে না।

এসব জঙ্গিবাদীদের প্রতি কঠোর না হওয়ায় তারা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সাহস পেয়েছে। কওমিদের দাওরায়ে হাদিসকে মাস্টার্সের সমমর্যাদা প্রদান করা দেশ ও জাতির জন্য কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ৭১-এরর ঘাতক-দালাল রাজাকারদের যেভাবে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে, তেমন কওমিদের উদ্যোগে গঠিত স্বাধীনতাবিরোধী আরেক অপশক্তি ‘মুজাহিদ বাহিনী’রও বিচার হতে হবে।

১৯৭১ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারী, পটিয়া, ঢাকার বড় ও ছোট কাটরা, লালবাগসহ বিভিন্ন কওমি মাদরাসায় মুজাহিদ বাহিনীর ক্যাম্প ছিল। এসব ক্যাম্পগুলোতে মুজাহিদ বাহিনী রাজাকার আলবদরের মতো যুদ্ধাপরাধ সংঘটিত করেছিল।

 

 

এ সময় ইসলামী ফ্রন্টের সাত দফা দাবি উপস্থাপন করা হয়। দাবিসমূহ হলো- রাজাকার-আলবদর-আলশামসের মতো কওমিপন্থী মুজাহিদ বাহিনীকেও আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার করতে হবে।

অবিলম্বে জঙ্গিসংগঠনের তালিকাভুক্ত করে হেফাজতে ইসলামকে নিষিদ্ধ করতে হবে। কওমি মাদরাসাকে অডিটের মধ্যে এনে সরকারি নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আলিয়া-কওমি উভয় ধারাকে অভিন্ন শিক্ষানীতির আলোকে পরিচালনার উদ্যোগ নিতে হবে।

কওমি-হেফাজতি জঙ্গিদের অর্থ ও মদদদাতা যে দলেরই হোক না কেন, সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।

খেলাফত মজলিসের নিবন্ধন বাতিলসহ দলটিকে নিষিদ্ধ করতে হবে। নারী নিপীড়ক, ধর্ষক, হত্যাকারীদের রাজনৈতিক পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে দ্রুত আইনে সর্বোচ্চ সাজার ব্যবস্থা করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে ইসলামী ফ্রন্টের মহাসচিব এম এ মতিন বলেন, সরকার আলিয়া মাদরাসার মতো কওমিদের শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে স্বতন্ত্র শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা প্রয়োজন।

সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট চেয়ারম্যান এমএ মান্নান, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অধ্যক্ষ স উ ম আবদুস সামাদ, সৈয়দ মছিহুদ্দৌলা, অধ্যক্ষ আহমদ হোসাইন আল কাদেরী, অধ্যক্ষ শাহ খলিলুর রহমান নিজামী, শাইখ আবু সুফিয়ান খান আবেদী, রেজাউল করিম তালুকদার, ইঞ্জিনিয়ার নুর হোসাইন, মাস্টার মুহাম্মদ আবুল হোসাইন, ওবাইদুল মুস্তফা কদমরসুলী, আব্দুন নবী আল কাদেরী, মাওলানা ফেরদৌসুল আলম খান, মাওলানা আবদুল খালেক, অধ্যক্ষ হাফেজ আহমদ কাদেরী, নাসির উদ্দীন মাহমুদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।