• ঢাকা
  • শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১, ৯ আশ্বিন ১৪২৮
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

আবু ত্ব-হা ও ২ সঙ্গীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর


নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার প্রকাশিত: জুন ১৯, ২০২১, ০১:৩৭ পিএম আবু ত্ব-হা ও ২ সঙ্গীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর
ছবি: সংগৃহীত

মেট্রোপলিটন জুডিশিয়াল আদালতে জবানবন্দির পর আলোচিত ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মোহাম্মদ আদনান ও তার ২ সঙ্গীকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আদালতের মাধ্যমে তাদের নিজ নিজ পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়। 

বিষয়টি গণমাধ্যমে নিশ্চিত করে কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রশিদ জানান, সার্বিক পরিস্থিতি আদালতের কাছে তুলে ধরা হয়েছে। আদালত বিচার-বিশ্লেষণ করে তিনজনকে নিজ জিম্মায় ছেড়ে দিয়েছেন।

এর আগে, ৩ জনকে আদালতে তোলা হয়েছে। ব্যক্তিগত কারণে আত্মগোপনে ছিলেন বলে জানিয়েছে রংপুর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। শুক্রবার (১৮ জুন) আদনানকে উদ্ধারের পর বিকেলে রংপুর ডিবির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে কর্মকর্তারা এ কথা জানান। সেখানে বলা হয়, আদনান এর আগে গাইবান্ধায় ছিলেন বলে জানা গেছে।

 শুক্রবার বিকাল পৌনে ৫টার দিকে রংপুর ডিবি কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন শুরু হয়। এরআগে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আবু ত্ব-হাকে ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়। ৮ দিন ধরে নিখোঁজ থাকার পর সন্ধান মিলেছে রংপুরের আলোচিত বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনানের। শুক্রবার দুপুরে তার শ্বশুরের বাসায় তাকে পাওয়া যায়।

খোকন নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে তিনি নগরীর মাস্টারপাড়ায় তাকে দেখেন। কিন্তু ত্ব-হা সে সময় কোনো কথা বলেননি। মুখে আঙুল দিয়ে চুপ থাকতে বলেন তিনি।

রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার আবু মারুফ হোসেন জানিয়েছেন, ত্ব-হা রংপুর নগরীরর কলেজ রোডে চারতলা মোড়ে প্রথম স্ত্রীর ভাড়া বাসায় অবস্থান করছিলেন। খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। এরপর তাকে সেখান থেকে ডিবি কার্যালয়ে নেয়া হয়। এখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে বলে জানান তিনি।

প্রসঙ্গত, গত ১০ জুন রংপুর থেকে ঢাকায় আসার পথে রাজধানীর গাবতলী এলাকা থেকে ইসলামি বক্তা আবু ত্ব-হা মুহাম্মদ আদনান নিখোঁজ হন। এছাড়াও তার সঙ্গে নিখোঁজ হয়েছেন আব্দুল মুহিত, মোহাম্মদ ফিরোজ ও গাড়িচালক আমির উদ্দীন। ত্ব-হার নিখোঁজ হওয়ার তথ্য জানিয়ে দারুসসালাম এবং মিরপুর থানায় গেলে কোনো থানাই সাধারণ ডায়েরি বা মামলা গ্রহণ করেনি বলেও অভিযোগ করেছেন তার পরিবার। এ নিয়ে সর্বশেষ রংপুর সদর থানায় একটি জিডি করা হয়।