• ঢাকা
  • রবিবার, ১৮ এপ্রিল, ২০২১, ৪ বৈশাখ ১৪২৮
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

করোনা আক্রান্ত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে ব্রেন ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলাবাজার প্রকাশিত: এপ্রিল ৭, ২০২১, ১২:১৯ পিএম করোনা আক্রান্ত হওয়ার ৬ মাসের মধ্যে ব্রেন ও মানসিক অসুস্থতায় ভুগছেন
ছবি : সংগৃহীত

এক গবেষণায় দেখা গেছে করোনায় আক্রান্ত হয়ে বেঁচে আছেন এমন প্রতি তিনজনের মধ্যে একজনের ব্রেনে অথবা মানসিক অসুস্থতা দেখা দিয়েছে।

৬ মাসের মধ্যে তাদের দেহে এই সমস্যা শনাক্ত করেছেন বিজ্ঞানীরা।

যুক্তরাষ্ট্রের কমপক্ষে দুই লাখ ৩০ হাজার রোগীর ওপর এক গবেষণায় এ তথ্য মিলেছে।

এর ফলে মঙ্গলবার বিজ্ঞানীরা বলেছেন, করোনা মহামারি বিশ্বে মানসিক এবং স্নায়ুবিক সমস্যার একটি ঢেউ সৃষ্টি করতে পারে।

এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

এতে বলা হয়েছে, যেসব গবেষক এ নিয়ে গবেষণা করেছেন তারা পরিষ্কার করে বলতে পারেননি যে, মানসিক সমস্যা- যেমন উদ্বিগ্ন হওয়া, হতাশায় ভোগার মতো সমস্যার সঙ্গে এই ভাইরাসের কি সম্পর্ক আছে। তারা গবেষণাকালে যে ১৪টি সমস্যাকে চিহ্নিত করেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে কমন বা অভিন্ন এই সমস্যা। করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরে স্ট্রোক করা, স্মৃতিভ্রম হওয়া বা স্নায়ুবিক অন্যান্য সমস্যা দেখা দেয়ার ঘটনা খুবই বিরল বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।

তবে যারা মারাত্মকভাবে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাদের মধ্যে এই লক্ষণগুলো উল্লেখযোগ্য মাত্রায় আছে।

এই গবেষণায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বৃটেনের অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ম্যাক্স তাকুয়েত। তিনি বলেছেন, ফ্লু বা অন্যান্য শ্বাসপ্রশ্বাসের সংক্রমণের পরে যতটা সমস্যা হয় তা চেয়ে করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর ব্রেন এবং মানসিক অসুস্থতায় ভোগার ইঙ্গিত দিচ্ছে আমাদের গবেষণা।

এ বিষয়ে জরুরি ভিত্তিতে গবেষণা করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন। কারণ, কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে উচ্চ মাত্রায় ব্রেন এবং মানসিক সমস্যায় ভোগার তথ্যপ্রমাণ ক্রমবর্ধমান হারে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের উদ্বিগ্ন করেছে। এর আগে একই গবেষকদল গত বছর গবেষণা করে দেখতে পান যে, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তদের তিন মাসের মধ্যে শতকরা প্রায় ২০ ভাগের মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। তাদের সর্বশেষ গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে ল্যানচেট সাইক্রিয়াট্রি জার্নালে।

নতুন গবেষণা করা হয়েছে দুই লাখ ৩৬ হাজার ৩৭৯ জন করোনা রোগীর ওপর। তাদের বেশির ভাগই যুক্তরাষ্ট্রের। এতে দেখা গেছে আক্রান্ত হয়ে বেঁচে থাকার ৬ মাসের মধ্যে শতকরা ৩৪ ভাগ রোগী স্নায়ুবিক অথবা মানসিক অসুস্থতায় ভোগেন।