• ঢাকা
  • শনিবার, ১৬ অক্টোবর, ২০২১, ১ কার্তিক ১৪২৮
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

মা নোংরা পথে চলে গিয়েছিল, তাই খুন করে মাটিতে পুঁতে দিয়েছি, বললেন ছেলে


আন্তর্জাতিক ডেস্ক | বাংলাবাজার প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১, ০৮:৫৬ পিএম মা নোংরা পথে চলে গিয়েছিল, তাই খুন করে মাটিতে পুঁতে দিয়েছি, বললেন ছেলে

ভারতের পশ্চিমঙ্গের বর্ধমানে জন্মদাতা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে রাখার অভিযোগে ছেলেকে আটক করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, মেঝেতে মায়ের দেহ পুঁতে রেখে সেই ঘরের মধ্যেই দু’বছর ধরে বসবাস করছিল ছেলে। মাটির উপর থেকে ওই জায়গায় নিয়মিত ধূপ দিতেন তিনি। 

বিষয়টির কথা প্রকাশ্যে আসার পরেই শিউরে উঠছে সবাই। গ্রেপ্তারকৃত যুবকের নাম শেখ নয়ন। অভিযুক্ত নয়নকে মাকে খুনের কারণ জিজ্ঞেস করেছিলেন সাংবাদিকরা। তার জবাবে নয়ন বলেছেন, মা নোংরা পথে চলে গিয়েছিল। বারণ করা হলেও শুনত না। তাই খুন করে মাটিতে পুঁতে দিয়েছি।’’

বুধবার নয়নকে সঙ্গে নিয়ে মাটি খুঁড়ে হাড়গোড় উদ্ধার করে দেশটির পুলিশ। পুলিশের ঘণ্টাখানেকের চেষ্টায় মৃতের মাথার খুলি, হাড়গোড় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। সুকরানার বড় ছেলে কিসমত নয়নের উপযুক্ত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। জানা গেছে, ছোট ছেলে নয়নের সঙ্গেই থাকতেন মা সুকরানা বিবি। ২০১৯-এর জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ ছিলেন সুকরানা। তার বড় ছেলে কিসমত বহু জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও মায়ের হদিশ পাননি।

নয়নের সঙ্গে অশান্তি হওয়ায় তার স্ত্রী মাস চারেক ধরেই রয়েছেন বাপের বাড়িতে। সোমবার নয়নের দাদা শেখ কিসমত এবং কিসমতের স্ত্রী মিলি বিবি সেখানে যান তার স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনার জন্য। কিন্তু ফিরতে অস্বীকার করেন নয়নের স্ত্রী। এবং সুকরানাকে খুন করে মাটিতে পুঁতে রাখার বিষয়টিও তিনি জানান কিসমতকে। এরপর দাদা কিসমত মঙ্গলবার সকালে এলাকার তৃণমূল নেতা শেখ জামালকে গোটা বিষয়টি জানান। তার পর অভিযুক্ত নয়নকে তৃণমূল পার্টি অফিসে আটকে রেখে বর্ধমান থানায় খবর দেওয়া হয়। এবং পুলিশ নয়নকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদের সময়ই তিনি খুনের কথা স্বীকার করেন।

বুধবার অভিযুক্তকে ঘটনাস্থলে নিয়ে গিয়ে মাটি খুঁড়ে কঙ্কাল উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেই সময় সেখানে ছিলেন ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের আধিকারিক। এ নিয়ে বর্ধমান থানার আইসি সুখময় চক্রবর্তী বলেছেন, ‘‘উদ্ধার হওয়া খুলি এবং হাড়গোড় ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজের পুলিশ মর্গে।’’