• ঢাকা
  • রবিবার, ২৫ জুলাই, ২০২১, ১০ শ্রাবণ ১৪২৮
Bangla Bazaar
Bongosoft Ltd.

ভারত থেকে কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে তিনটি জাহাজ


নিজস্ব প্রতিবেদক | বাংলাবাজার প্রকাশিত: জুলাই ১৯, ২০২১, ০৪:৪৯ পিএম ভারত থেকে কয়লা নিয়ে মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে তিনটি জাহাজ
ছবি: সংগৃহীত

রামপালের কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ৩ হাজার ৭শ ৫২ মেট্রিক টন কয়লা নিয়ে ভারতের কলকাতা বন্দর থেকে ছেড়ে আসা তিনটি কার্গো জাহাজ সোমবার ভোরে মোংলা বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এখানে মোংলা কাস্টমসের যাবতীয় কার্যপ্রক্রিয়া শেষে এ কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রে খালাস করা হবে। 

তবে এ কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জ্বালানী হিসেবে নয়, ব্যবহৃত হবে কেন্দ্রটিতে কয়লা রাখার গোডাউনের (কোল সেড) মেঝে নির্মাণের জন্য। রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ৩ জুলাই শুক্রবার দুপুরে কলকাতার শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জি পোর্টের (কলকাতা পোর্ট) নেতাজি সুভাষ ডক (এনএসডি) থেকে প্রথম কার্গো জাহাজ এম,ভি শ্যামল বাংলায় ১ হাজার ৮শ ৫৫ মেঃ টন কয়লা বোঝাই হয়। 

এরপর ৪ জুলাই এম,ভি এনামুল হোসেন জাহাজে ১ হাজার ২শ ২২ মেঃ টান ও ৫ জুলাই এম,ভি আল-বেরুনী সৈকত -০২ জাহাজে ৬শ ৭৫ মেঃ টন কয়লা বোঝাই হয়। এরপর জাহাজ তিনটি গত ৮ জুলাই কলকাতা বন্দর থেকে ছেড়ে সেদেশের বজবজ, ঘোড়ামারা, নামখানা, বাগানবাড়ী, মন্দির, হেমনগর ও আংটিহারা হয়ে ১৯ জুলাই এদেশের মোংলা বন্দরে এসে পোঁছায়।

এর আগে গত ৩ জুলাই কলকাতা বন্দরে এ কয়লা রপ্তানীর প্রথম চালানের উদ্বোধন করেন কলকাতা বন্দরের চেয়ারম্যান বিনীত কুমার। বাগেরহাটের রামপালে এ তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রটি তৈরি হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাওয়ার কোম্পানী লিমিটেড। ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার করপোরেশন লিমিটেড (এনটিপিসি) ও বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (পিডিবি) এই দুটি কোম্পানী এখানে বিনিয়োগ করেছেন।

রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ আরো জানান, ‘রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে জ্বালানি হিসেবে খুবই উন্নতমানের কয়লা ব্যবহার করা হবে। এখন যে কয়লা আনা হয়েছে এটি দিয়ে শুধু কয়লা সংরক্ষণের জন্য ৪টি কোল সেড (গুদামের মেঝে) তৈরির কাজে ব্যবহৃত হবে। এটি জ্বালানী কয়লা নয়। কর্তৃপক্ষ আরো বলেন, আগামী ডিসেম্বরের যে কোন সময়ে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র উৎপাদনে যাবে। তবে তারিখ নির্ধারণ হয়নি। 

ডিসেম্বরে উৎপাদনে যাওয়ার সকল প্রস্তুতি নিয়ে দ্রুত গতিতে কাজ চলছে। ইতিমধ্যে ১৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন দুইটি ইউনিটের প্রায় ৬৮ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। তবে করোনা প্রাদুর্ভাবের কারণে কাজ কিছুটা পিছিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন কর্তৃপক্ষ। 

আগামী ডিসেম্বরে এ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি উৎপাদনে গেলে প্রতিদিন জ্বালানী হিসেবে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মেট্রিক টন কয়লার প্রয়োজন হবে এ কেন্দ্রটিতে। তবে সেটি হবে উন্নতমানের কয়লা।